বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ইউপি নির্বাচন চলাকালে বেলা সোয়া তিনটার দিকে মাধনগর এসআই উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে দুই মোটরসাইকেলচালককে আটক করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মালেকের ভ্রাম্যমাণ আদালত। মোটরসাইকেল দুটির চালক ছিলেন নাটোর শহরের আলাইপুর এলাকার বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া (২৮) এবং চকবৈদ্যনাথ এলাকার বাসিন্দা মো. কোয়েল (৩২)। নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি না নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো ও ভোটকেন্দ্রের পাশে অবস্থান করার কারণ জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ‘আমরা ভোট দেখতে এসেছি।’ তাঁদের জবাব যথাযথ না হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আবদুল মালেক তাঁদের প্রত্যেককে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং কাগজপত্র না দেখানো পর্যন্ত মোটরসাইকেল আটক রাখার নির্দেশ দেন।

নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি না নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো ও ভোটকেন্দ্রের পাশে অবস্থান করার কারণ জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ‘আমরা ভোট দেখতে এসেছি।’

এ সময় ওই তরুণেরা নিজেদের নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসনের সাংসদ শফিকুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দেন। কিছুক্ষণের মধ্যে ওই বিচারকের কাছে ‘বিশেষ ব্যক্তির’ ফোন আসে। পরে আটক দুই তরুণ তাৎক্ষণিক জরিমানা পরিশোধ করে ছাড়া পান। এদিকে মুঠোফোনে বিশেষ সেই ব্যক্তির কলের বদৌলতে মোটরসাইকেল দুটি কাগজপত্র না দেখেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মালেক অর্থদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি না নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় মোটরযান চালানো ও ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে তাঁদের অর্থদণ্ড করা হয়েছে। তবে ‘বিশেষ ব্যক্তির’ ফোন কল ও মোটরসাইকেল ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে তিনি কিছু জানাতে চাননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন