বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সুজাবাদ দাখিল মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী আবুল কাশেম মুঠোফোনে বলেন, কয়েক দিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ তিনি। এ কারণে কর্তৃপক্ষের মৌখিক অনুমতি সাপেক্ষে তাঁর বদলে মাদ্রাসায় রাত্রীকালীন নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালন করছিলেন তাঁর বাবা।

আবুল কাশেম বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ঝড়বৃষ্টি নামার কারণে রাতের খাবার খেয়ে বিকেল পাঁচটার দিকে বাবা মাদ্রাসায় রাত্রীকালীন নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের জন্য যান। রাতে তিনি একটি শ্রেণিকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বত্তরা তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। সকাল সাতটার দিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষ থেকে তাঁর গলাকাটা লাশ উদ্ধার হয়। পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ওই বৃদ্ধ ছেলের বদলে মাদ্রাসায় নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালন করতে এসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় এখনো থানায় মামলা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন