বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে গোগা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তবিবর রহমানের নির্বাচনী কার্যালয়ে প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুর রশিদের লোকজন হামলা চালায়। এ সময় তবিবরের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। এ সময় সেখানে উভয় পক্ষ বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় ও গুলি ছোড়ে। এতে ফজরের হাতে ও আশরাফুলের ঊরুতে গুলি লাগে এবং রবিউলের শরীরে বোমার স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহিনুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ঊরুতে আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ২৪ ঘণ্টা পার না হলে কিছু বলা যাচ্ছে না। অপর দুইজন শঙ্কামুক্ত।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম খান বলেন, দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন। ওই এলাকায়  অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়নি।

শার্শা উপজেলার গোগা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী তবিবর রহমান বলেন, ‘নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুর রশিদের উপস্থিতিতে আমার নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় তারা গুলি ছোড়ে। এতে ফজর আলী ও আশরাফুল নামে আমার দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।’

‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করার অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ বলেন, ‘আমাদের কোনো লোক নির্বাচনী মাঠে নেই। সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন সম্রাট নামের আমার এক কর্মীকে কুপিয়ে জখম করেছে। রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য আমার বিরুদ্ধে গুলি বা বোমা হামলার অভিযোগ তোলা হচ্ছে।’

কয়েক দিন ধরে এই ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতা চলছে। ইতিমধ্যে নির্বাচনী সহিংসতায় ফকির আলী নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে ১৮ দিন পর মারা গেছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুর রশিদের সমর্থকেরা তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন