বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গণকমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নেতৃত্বে আসা তদন্ত কমিশনের প্রতিনিধিদলের সামনে বক্তব্য তুলে ধরেন নোয়াগাঁও গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে গণকমিশনের সদস্যসচিব তুরিন আফরোজ, সদস্য আসিফ মুনীর, গণতদন্ত কমিশন সচিবালয়ের সমন্বয়কারী কাজী মুকুল ছিলেন। এ ছাড়া শুনানিকালে সিলেট মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চক্রবর্তী, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সভাপতি আইনজীবী সালেহ আহমদ ও আইনজীবী মলয় চক্রবর্তী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ভুক্তভোগীরা প্রতিনিধিদলকে বলেন, হামলার আগে হামলাকারীরা সংঘঠিত হয়ে সভা-সমাবেশ ও মিছিল করেছে। মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। হামলার আভাস পেয়ে তাঁরা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় রাজনীতিবিদদের সহায়তা চান। কিন্তু তাঁরা কোনো সহায়তা পাননি। হামলাকারীরা ৮৮টি বসতঘর ও ৫টি পারিবারিক মন্দির ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় গ্রামবাসী দ্রুত বিচার আইনে মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে তদন্ত দলকে জানান হামলার শিকার লোকজন।

তদন্ত কমিশনে নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল চন্দ্র দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা জগতচন্দ্র দাস, ঝুমন দাশ বক্তব্য দেন। তদন্ত দলের প্রতিনিধিরা ঘটনার বিষয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের ভূমিকার বিষয়ে জানতে চান। আজ দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত শুনানি গ্রহণ ও তদন্ত চলে।

তদন্ত কমিশনের সমন্বয়কারী কাজী মুকুল বলেন, ‘আমরা ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য নিয়েছি। গণশুনানিতে এলাকার অনেকেই কথা বলেছেন। শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন