বিজ্ঞাপন

‘সচেতন শাল্লাবাসী’ ব্যানারে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবু আবদুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় শ মানুষ অংশ নেন। এ সময় আয়োজিত এক সমাবেশে দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হোসেন, যুবলীগ নেতা মো. একরাম হোসেন, অরিন্দমের ভাই আইনজীবী অমিতাভ চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

অরিন্দমের ভাই অমিতাভ চৌধুরী বলেন, শাল্লার নোয়াগাঁওয়ে গত ১৭ মার্চ সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলার পর অরিন্দম চৌধুরী ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। এরপর এলাকার কিছু লোক তাঁর ভাইকে নানাভাবে হুমকি দেন। এ ঘটনায় শাল্লা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। কিন্তু শাল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে জিডি থেকে হেফাজতে ইসলাম শব্দ এবং কয়েকজনের নাম বাদ দিতে বলেন। পরে বিষয়টি সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারকে জানান। এরপর থেকে অরিন্দমের ওপর এসআই শাহ আলী ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এখন এসআই শাহ আলী তাঁর ওপর অরিন্দম হামলা চালিয়েছেন বলে একটি ঘটনা সাজিয়েছেন। আসলে এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। এটা একটা ষড়যন্ত্র।

পুলিশ মঙ্গলবার অরিন্দম চৌধুরীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেছে। এসব মামলায় গত সোমবার রাতে শাল্লা উপজেলা শহরের ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে মদ্যপ অবস্থায় অরিন্দম চৌধুরীসহ কয়েকজন এসআই শাহ আলীকে মারধর করেছেন এবং তাঁরা মাদক সেবন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূর আলম প্রথম আলোকে বলেন, মিথ্যা মামলায় কাউকে ফাঁসানো হয়নি। পুলিশকে মারধর করার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সাক্ষীও আছে। তাই মামলা হয়েছে। যাঁরা মামলাগুলোকে মিথ্যা বলছেন, তাঁদের দাবি সঠিক নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন