বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই নারী আরও বলেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এরই জেরে মেহেদি তাঁর মেয়েকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। সম্প্রতি তাঁরা সাভার থেকে শাহজাদপুরে আসেন। ১৩ ডিসেম্বর মেহেদি তাঁর মেয়ের চুল ও ভ্রু কেটে দেন। এরপর মারধর করতে থাকেন। বিষয়টি ১৮ ডিসেম্বর জানাজানি হয়। পরে অসুস্থ মেয়েকে রোববার সকালে শাহজাদপুর থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোগী একটু সুস্থ হলে এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মেহেদীর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ওই নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে।

শাহজাদপুর উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইমরান হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। তবে আপনাদের কাছে শুনে জানার চেষ্টা করছি।’

শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদ মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, নির্যাতনের বিষয়ে থানায় এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন