বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভা সূত্রে জানা গেছে, হলের বৈধ শিক্ষার্থীরা পর্যায়ক্রমে হলে উঠতে পারবেন। ২৫ অক্টোবর থেকে আবাসিক হলে প্রবেশ করতে পারবেন স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা। এরপর ২৬ অক্টোবর স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা, ২৭ অক্টোবর তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী, ২৮ অক্টোবর দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ক্রমান্বয়ে অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে পারবেন। তবে কোনো অছাত্র বা ছাত্রত্ব নেই, এমন কেউ হলে উঠতে পারবেন না।

২৫ অক্টোবর থেকে আবাসিক হলে প্রবেশ করতে পারবেন স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে পারবেন।

সভায় শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা গ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের এক সদস্য জানান, ক্যাম্পাসে করোনার টিকার বুথ এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী টিকা দেননি, শিগগিরই তাঁদের টিকা প্রদানের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আবাসিক হল চালুর পাশাপাশি অনলাইন ও সশরীর যেসব পরীক্ষা শুরু হয়েছে, সেসবও চলবে। ১৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপরই মূলত সশরীর পাঠদান কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পুরোদমে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন