শিক্ষার্থীরা বলছেন, অল্প বৃষ্টি হলেই এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তন ও কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পাশে পানি জমে যাচ্ছে। জমে থাকা পানিতে প্রতিনিয়ত মশা জন্ম নিচ্ছে। এ কারণে ক্যাম্পাসের হলগুলোতে দিনে ও রাতে সমানতালে শিক্ষার্থীদের মশার কামড় খেতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাঝেমধ্যে মশকনিধনের ওষুধ ছিটালেও এতে তেমন কাজ হচ্ছে না। বেড়েছে পোকামাকড়ের উপদ্রবও।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মাকসুদুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটির সভাপতি। তিনি বলেন, সম্প্রতি সিলেটে প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। তাই ক্যাম্পাসের সব ডোবা ও নালাতে পানির পরিমাণ বেড়ে গেছে। অনেক নালা ও ডোবার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বর্তমানে অচল বললেই চলে। তাই এগুলোর সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

default-image

এর আগে গত ৭ মার্চ প্রথম আলো অনলাইনে ‘শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা’—শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সময়ও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নালা–নর্দমাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। তাই ক্যাম্পাসের শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু করে সব জায়গায় মশার উপদ্রব ছিল। প্রায় দুই মাস পর ক্যাম্পাস ঘুরে একই দৃশ্য দেখা গেছে। বরং নালা, ডোবা ও নর্দমাগুলো থেকে আগাছা, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার না করায় মশার সঙ্গে পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ হাবিবুর রহমান দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোথাও পানি জমে থাকছে না। সে রকম হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের রাস্তার পাশ দিয়ে যে নালা গিয়েছে, সেটি বেদখল হওয়ায় পানি নিষ্কাশনের সুবিধা কমেছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নালা-ডোবায় কিছু আগাছা ও কচুগাছ জন্মেছে, এতে মশা ও পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েছে। এসব পরিষ্কার করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন