বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্যামেরায় এক যুবককে ফোনটি চুরি করতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে হল কর্তৃপক্ষ এবং সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানায় অভিযোগ করেও সমাধান মেলেনি। চুরির পর তিনি কক্ষ পরিবর্তন করে একই হলের দ্বিতীয় তলার ২০১৮ নম্বর কক্ষে ওঠেন।

কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট পাঁচটি হল রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ছাত্রদের এবং দুটি ছাত্রীদের জন্য। এসব হলে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী আছেন। সব কটি হলেই কমবেশি চুরির ঘটনা ঘটে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির আগেও নিয়মিত মুঠোফোন, ল্যাপটপ, গয়না, জামাকাপড়, ফ্রিজের মাছ-মাংস ও জুতা চুরির ঘটনা ঘটত। এখনো এসব হচ্ছে। পুনরায় হল চালুর পর এক ছাত্রের মুঠোফোনের পাশাপাশি এক ছাত্রীর জ্যাকেট চুরির ঘটনাও ঘটেছে। তবে চুরি ঠেকাতে কর্তৃপক্ষকে আরও তৎপর হওয়া দরকার।

একই সূত্র জানিয়েছে, করোনার সময় হল বন্ধ হওয়ার আগে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি। ওই দিন ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের ডি ব্লকের ৪০১ ও ৪০২ নম্বর কক্ষের গ্রিল কেটে ৪টি ল্যাপটপ ও ২টি মুঠোফোন চুরি করে নেয় চোরেরা। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তাঁরা চোরদের শনাক্ত করতে পারেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী বলেন, আবাসিক হলের ভেতরে চুরির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। গণরুম থেকে নবীন ছাত্রীদের টাকা, গয়না ও ডিভাইস চুরি হতো নিয়মিত। হল কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ করলেও এ সমস্যা সমাধানে তারা তৎপর নয়। এখন পুনরায় হল চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোরের উৎপাতও বেড়েছে।

জাহানারা ইমাম হলের বি ব্লকের বাসিন্দা ও বিবিএ অধ্যয়নরত এক ছাত্রী জানান, গত মঙ্গলবার তাঁর হলের ভেতরের যাতায়াতের রাস্তায় তিনি একটি জ্যাকেট শুকাতে দিয়েছিলেন। এটা চুরি গেছে।

শাবিপ্রবির প্রক্টর আলমগীর কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুনরায় হল চালু হওয়ার পর এক ছাত্রের মুঠোফোন চুরি হওয়ার বিষয়টি জেনেছি। সংশ্লিষ্ট জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ওসি সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করেছি। তবে প্রতিটি হলেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তাপ্রহরী আছে। রয়েছে ক্লোজজ সার্কিট টিভি ক্যামেরাও। এরপরও কিছু চুরির ঘটনার খবর পাওয়া যায়। তবে চুরি ঠেকাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তৎপর আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন