বিজ্ঞাপন

স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, গতকাল নতুন গাছের চারা দেখতে বাউনী গ্রামের একটি প্রকল্পে অবস্থান করছিলেন বন বিভাগের শ্রীপুর বিট কর্মকর্তা সজীব মজুমদার ও তাঁর সহকর্মীরা। এ সময় গ্রামের সড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন খালেক। তাঁর হাতে ছিল বিল থেকে ধরা ডাহুকসহ খাঁচা ও পাখি ধরার বিশেষ ফাঁদ। হাতে পাখি দেখে তাঁকে থামানো হয়। বিট কর্মকর্তা পাখি শিকারের শাস্তিগুলো তাঁকে বলেন। প্রকৃতির জন্য পাখি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটিও বুঝিয়ে বলেন। খালেক নিজের অন্যায় বুঝতে পারেন। বন বিভাগের লোকজন পাখি ছেড়ে দিতে চাইলে খালেক নিজ হাতে সেটি ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে নিজের শিকার করা ডাহুক পাখি নিজেই আকাশে উড়িয়ে দেন।

খালেক মিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি তো অনেক আগে থাইকাই পাখি ধরি। ফাঁদ বানায়া ডাহুক ধরি। ঘুঘুও ধরি। কিন্তু এইডা যে এত বড় অন্যায়, জানতাম না। বিলে তো অনেকেই পাখি ধরে। এখন নিজে পাখি ধরমু না, কেউ ধরলে না করমু। আমার পাখি আমিই ছাইড়া দিছি।’

শ্রীপুর বিট কর্মকর্তা সজীব মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, খালেক মিয়াকে বুঝিয়ে বলার পর তিনি তাঁর ভুল বুঝতে পারেন। পরে নিজের হাতে পাখি ছেড়ে দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন