বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে লায়লা ফেরদৌস প্রথম আলোকে জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনকে দুই দফায় ৩ ও ৭ অক্টোবর তদন্ত কমিটির কাছে এসে তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে ই-মেইলে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার জন্য আরও দুই সপ্তাহ সময় প্রয়োজন বলে জানান।

প্রথমে তাঁকে আর বাড়তি সময় দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু বারবার আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি তাঁকে ৭ অক্টোবর থেকে হিসাব করে দুই সপ্তাহ পর ২১ অক্টোবর বেলা একটায় তদন্ত কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করতে বলেছে।

তদন্ত প্রতিবেদন কবে জমা দেওয়া হবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়ে গেছে। এখন শুধু অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য পেলেই সেটুকু এর সঙ্গে যুক্ত করে জমা দেওয়া হবে।

অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানাকে আবারও সময় দেওয়া বিষয়ে লায়লা ফেরদৌস জানান, তদন্তকাজ শেষ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হলেও তদন্ত কমিটিকে যাতে কোনো ধরনের আইনি জটিলতায় পড়তে না হয়, সে জন্য বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখতে ১২ অক্টোবর দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তদন্ত কমিটির সদস্যদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় শিক্ষক ফারহানার আবেদনের বিষয়টি পর্যালোচনাপূর্বক তাঁকে তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য সর্বশেষ ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন ১৪ ছাত্রের মাথার চুল কেটে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানার অপসারণ দাবিতে আন্দোলন ও অনশন শুরু করেন। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে থাকা ট্রেজারার আবদুল লতিফ বলেন, শেষ পর্যন্ত যদি অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁর বক্তব্য দিতে না আসেন, তাহলে তো সবকিছু ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সিনেট সভায় পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন