বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, আমরা তা প্রত্যাখ্যান করছি। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়েই এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন। করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর যাবৎ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বারবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার তারিখ ঘোষণা করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। অথচ সবকিছু স্বাভাবিক নিয়মে চলছে।’

default-image

একটানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় লেখাপড়ার বাইরে থেকে নানা কাজে জড়িয়ে পড়তে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হচ্ছে, উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় উচ্চশিক্ষাও ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় সেশনজট তৈরি হয়েছে। ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় চাকরির ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে ভালো নেই। শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে থাকায় মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ারও আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

গ্রামের অবস্থা আরও করুণ, উল্লেখ করে বক্তারা প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, ‘প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত হাজার হাজার শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে। যেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস করছেন, তাহলে শিক্ষার্থীরা কেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করতে পারবে না? তাই জুন মাসের প্রথম দিনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি আমরা।’

সমাবেশ থেকে আগামী শনিবারের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘শনিবার দিন পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করব। সন্ধ্যায় সিলেটে আমরা মশাল মিছিল করে টানা আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করব। এতে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা একাত্ম হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন