মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মাসুদ গণি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অভিযুক্ত মাসুদ গণি ওই তরুণীকে একটি রিসোর্টে নিয়ে একাধিবার ধর্ষণ করেন। এ সময় মাসুদ গণি ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে রাখেন। পরে মাসুদ গণি ওই ভিডিও তরুণীর স্বজনসহ বিভিন্ন মানুষের কাছে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করে ছড়িয়ে দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল ওই তরুণী মামলা করলে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মাসুদ গণিকে গ্রেপ্তার করে। মাসুদ গণি টিকটক ভিডিও বানাতেন বলে জানা গেছে। আজ সকালে মাসুদ গণিকে মৌলভীবাজার আদালতে নেওয়া হয়েছিল। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন