বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সোহানুর রহমান বলেন, ‘আমি তখন কক্ষে বসে পড়ছিলাম। বাইরে থেকে দরজা নাড়ানোর শব্দ হচ্ছিল। দরজার কাছে গিয়ে দেখি, দরজা খুলছে না। দরজায় তালা লাগানো। দরজার ফাঁক দিয়ে একটা ছেলেকে চলে যেতে দেখি।’

ঘটনার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাঈদ বিন একরাম। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে আমরা কয়েকজন হলে উঠতে ছাত্রলীগ নেতাদের কাছে কয়েকটি সিট চাইছিলাম। কিন্তু তাঁরা অনেক দিন ধরেই দিচ্ছেন না। এ ঘটনার প্রতিবাদে আমরা কয়েকজন হলে তালা দিই।’

এ ঘটনায় বক্তব্য জানতে প্রাধ্যক্ষ সুজন সেনের মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি ধরেননি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘ঘটনা শুনে আমরা হলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সে আমাদের কর্মী কি না, তা জানা নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন