বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী বলেন, মুশফিকুর রহমানের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া সুরতহাল প্রতিবেদনে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তিনি যে কক্ষে থাকতেন, সেখানে কোনো আলামতও পাওয়া যায়নি। তাই ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা যেতে পারেন। ওই কক্ষে তিনি একাই ছিলেন। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল।

পুলিশ জানায়, মারা যাওয়া শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। এ ঘটনায় পুলিশ কোতোয়ালি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছে।

এ বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নূরুন্নবী লাইজু বলেন, মুশফিকুর ৪৩তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। তিনি পাস না করায় পিছিয়ে পড়েছেন। বর্তমানে ৪৫তম ব্যাচের পরীক্ষা চলছে। এ পরীক্ষাতে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। তিনি তাঁর কক্ষে একাই ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে তাঁর মুঠোফোনে পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি ধরেননি। পরে পরিবারের লোকজন কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ছাত্রাবাসে মুশফিকুর যে কক্ষে থাকতেন, সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ভেতর থেকে কক্ষের দরজা বন্ধ। এরপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন