default-image

মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও আর্থিক অসচ্ছলতায় লেখাপড়া চালানো নিয়ে চিন্তিত ছিলেন সুনামগঞ্জের শিক্ষার্থী প্রণয় বর্মণ। তবে তাঁকে নিয়ে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষা উপমন্ত্রীসহ দেশ-বিদেশের অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান লেখাপড়া চালিয়ে যেতে তাঁর পাশে দাঁড়াতে চেয়েছেন।

তাঁরা প্রথম আলো ও প্রণয় বর্মণের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কেউ কেউ তাঁর মেডিকেল কলেজে পড়ার ভর্তিসহ যাবতীয় ব্যয় বহনের আগ্রহ দেখিয়েছেন। বুধবার বিকেলে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ‘মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও চিন্তিত প্রণয়’ শিরোনামে ছবিসহ সংবাদটি প্রকাশিত হয়। এরপরই তাঁর পাশে দাঁড়াতে প্রথম আলো ও প্রণয় বর্মণের সঙ্গে যোগাযোগ করেন অনেকে।

সংবাদটি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর নজরে এলে তিনি প্রথম আলোর ঢাকা কার্যালয়ের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলে প্রণয় বর্মণের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পাশে থাকার কথা জানান। তিনি প্রতি মাসে পড়াশোনার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রণয়কে দেবেন। এ জন্য প্রথম আলোর কাছ থেকে প্রণয়ের সঙ্গে যোগাযোগের মুঠোফোন নম্বর নেন।

বিজ্ঞাপন

জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ঢাকার ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল কাইউম চৌধুরী বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে প্রণয়ের মেডিকেল কলেজে ভর্তি ফি এবং পরবর্তী সময়ে প্রতি মাসে তাঁর লেখাপড়ার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে আর্থিক বৃত্তি দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

এ ছাড়া ঢাকার ‘স্বপ্নযাত্রা’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রণয়ের মেডিকেলে পড়ার যাবতীয় ব্যয় বহনের আগ্রহের কথা জানিয়েছে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া থেকে সুরজিৎ রায়, ঢাকার পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুল হুদা আশরাফী, বিজিএমইএর কর্মকর্তা সুরাইয়া বেগম, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাঁর আরেক বান্ধবী, ঢাকাস্থ ক্যাডেট কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন, ঢাকায় অবস্থানরত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একই শিক্ষাবর্ষের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যক্তি, তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হকসহ আরও অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রণয়ের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে তাঁর পাশে থাকার আগ্রহ দেখিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন