বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার ও শিবগঞ্জ থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শরিফুল ইসলাম ২৪ মে কুড়াহার মণ্ডলপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের বাড়িতে গিয়ে নিজেকে ডিবির কর্মকর্তা পরিচয় দেন। এ সময় তাঁর কোমরে গোয়েন্দা পুলিশের পরিচয়পত্রও ঝোলান ছিল। গোয়েন্দা  পুলিশের কর্মকর্তা ভেবে নুর ইসলাম ঘরে বসতে দিয়ে তাঁকে আপ্যায়ন করেন।

একপর্যায়ে নুর ইসলাম, তাঁর স্ত্রী  জিন্নাহ বেগম (৪০), দুই ছেলে নাসির হক (২৪) ও নাজমুল হক (১২) ও পুত্রবধূ ছাবিনা ইয়াসমিনকে (২০)  জিম্মি করে চোরাই মালামাল আছে বলে শরিফুল তাঁদের ভয়ভীতি দেখান। আশপাশে ডিবি পুলিশের আরও সদস্য আছে, এমন কথা বলে নুর ইসলামকে আটক ও বাড়ির মালামাল গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন শফিকুল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নুর ইসলামের বাড়িতে থাকা অবস্থায় শরিফুল ইসলাম তাঁকে বলেন, নগদ ২০ হাজার টাকা পেলে তিনি তাঁকে (নুর  ইসলাম) ছেড়ে দেবেন। ঝামেলার ভয়ে নুর ইসলাম তাৎক্ষণিক ১৫ হাজার এবং পরে আরও ৩ হাজার টাকা শরিফুলকে দেন। কিন্তু শরিফুল গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে মনোয়ার হোসেন নামের এক প্রতিবেশী শরিফুলকে চিনতে পেরে তিনি যে ডিবির ভুয়া কর্মকর্তা, সেই তথ্য নুর ইসলামকে জানিয়ে  দেন।

পরে এ ঘটনায় নুর ইসলাম বৃহস্পতিবার থানায় গিয়ে শরিফুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ  তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে বুড়িগঞ্জ এলাকা থেকে শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে সিআইডি ও ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয়পত্র জব্দ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন