বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় রাত ১১টার দিকে আহত পাঁচজনকে প্রথমে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে ইউপি চেয়ারম্যান, তাঁর ছেলে সুমনসহ তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত অবস্থায় ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল ফকির বলেন, রাসেল, আকবরসহ অনেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর ছেলে সুমনের ওপর হামলা চালায়। ছেলের প্রাণ বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তাঁর ওপরও হামলা করেন। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে রাসেল ফকির বলেন, ‘চেয়ারম্যানের ওপর হামলার সময় আমি ছিলাম না। এই গন্ডগোলের সূত্রপাত ওরা আগে করেছে। চেয়ারম্যানের ছেলে আগে আমার লোককে মারছে। পরে আমিও ওদের এক লোককে থাপ্পড় দিছি। ওরা থানায় অভিযোগ দেওয়ায় আমি সরে গিয়েছিলাম। আমার পক্ষের লোকজনের বাড়িঘরে হামলা চালাতে যাওয়ায় সেই পক্ষ ঘটনাটি ঘটাতে পারে।’

শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাকিব হোসেন বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের মাথা ও ঘাড়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এই তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিরাজ হোসেন আজ সোমবার বলেন, চেয়ারম্যান ও তাঁর চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে আরও আগে থেকেই দ্বন্দ্ব লেগে ছিল। এর জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। তবে চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত থানায় মামলা করতে কেউ আসেননি। তাঁরা এলে মামলা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন