আবুল কাশেম বলেন, ‘আর মাত্র সপ্তাহ দুয়েক পরই পর্যায়ক্রমে আমি অন্তত দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার শিম বিক্রি করতে পারতাম। তিন মাস ধরে কঠোর পরিশ্রম আর প্রায় ৬০ হাজার টাকা ধারদেনা করে খেতটা করেছি। ধার করা টাকা শোধ করে আর লাভের মুখ দেখা হলো না। বিষয়টি আমি শিবপুর থানা-পুলিশকে জানিয়েছি।’

এ বিষয়ে বাঘাব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তরুণ মৃধা বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য বিষয়টি তাঁকে জানানোর পর তিনি ওই শিমখেতে গিয়েছিলেন। কারা এই কাজ করল, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।

শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। ঠিক কী কারণে দরিদ্র ওই কৃষকের শিমগাছগুলো কেটে ফেলা হলো, তা খুঁজে বের করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন