বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি শিমখেতের পাশ দিয়ে চলাচলের সময় লাশটি দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে দুপুরে রায়পুরা থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহত মো. রফিক মিয়ার ছেলে আলতাব হোসেন বলেন, ‘আব্বা গতকাল বিকেল চারটার দিকে ভাড়ায় চালিত অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। তাঁর অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। হয়তো অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দেওয়ায় তাঁকে হত্যা করে লাশ শিমখেতের ভেতরে ফেলে রেখেছে হত্যাকারীরা। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক আরিফ রব্বানী বলেন, হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার সময় হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন