সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত স্পিডবোটঘাটে দেখা গেছে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। এ সময় যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে স্পিডবোটের টিকিট কাটতে দেখা যায়। স্পিডবোটে উঠতেও ধরতে হচ্ছে লাইন। যাত্রীর চাপ বাড়ার সুযোগ নিয়ে ভাড়া বাড়িয়ে দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ।

কয়েকজন যাত্রী বলেন, তাঁরা জানতে পেরেছিলেন, এবার ঈদে স্পিডবোটের ভাড়া ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘাটে এসে ১৫০ টাকা দিতেই কাউন্টার থেকে ২০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা কম দিতে চাইলে তাঁরা ঘাট ছেড়ে চলে যেতে বলছেন।

মো. রাব্বি নামের মাদারীপুরের শিবচর এলাকার এক যাত্রী দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, ঘাটে যাত্রীদের অনেক চাপ। লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করেছেন। ঘাটে যেন যাত্রীদের ঢল নেমেছে। জোর করেই ১৫০ টাকার ভাড়া ঘাটের লোকজন ২০০ টাকা নিচ্ছে। এগুলো দেখার কেউ নেই। আরিফ হোসেন নামের বরিশালের এক যাত্রী বলেন, প্রশাসন, সাংবাদিক দেখলে স্পিডবোট কর্তৃপক্ষ ১৫০ টাকা ভাড়া নেয়। তাঁরা সরে গেলেই ২০০ টাকা করে ভাড়া আদায় করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্পিডবোটের এক চালক অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে বলেন, ‘আমরা একটি ট্রিপের জন্য ৩০০ টাকা পাই। বাড়তি ভাড়ার বিষয়টি আমরা জানি না।’

ঘাটের ইজারার দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ১৫০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে ঠিক। একটি স্পিডবোট পদ্মা পাড়ি দিয়ে এক পাশ থেকে অন্য পাশে আসতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়। ওই পার থেকে স্পিডবোটগুলো খালি আনতে হচ্ছে। এ জন্য ভাড়া একটু বেশি নিতে হচ্ছে।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল আউয়াল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা থাকা অবস্থায় ১৫০ টাকাই ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এখনো ঘাটে দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন