default-image

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি নৌপথ রাতে বন্ধ থাকার পর শনিবার সকালে পাঁচটি ফেরি চলাচল শুরু করেছে। সকাল ছয়টায় ফেরি চলাচল করার কথা থাকলেও চ্যানেল পথে চরে ভাঙন দেখা দেয়। ফলে সাড়ে তিন ঘণ্টা পরে সকাল সাড়ে নয়টায় ফেরি চলাচল শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

শিমুলিয়ার তিন নম্বর ঘাটের পশ্চিম পাশে নদী ভাঙন দেখা দেয়। প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে পশ্চিম দিক থেকে ১৫০ ফুট এবং নদীর দক্ষিণ পাশে মূল ভূখণ্ড থেকে ২০০ ফুট নদীগর্ভে চলে যায়। অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে তিন নম্বর ঘাট ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) কার্যালয়।

এদিকে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম সচিব নুরুল আলম। তিনি বলেন, ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ১০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। নদীর পানি কমে গেলে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় থেকে শিমুলিয়া ঘাট পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ শুরু হবে।

বিজ্ঞাপন

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়ত আহম্মেদ প্রথম আলোকে বলেন, সকাল ছয়টায় ফেরি লোড করা হয়। লৌহজং চ্যানেলের পাশের চর ভেঙে ফেরি চলাচলের পথে পড়ে। এতে সাড়ে তিন ঘণ্টা ফেরি বন্ধ রাখতে হয়। ড্রেজিং বিভাগ নৌপথ সচল করে দিলে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ফেরি চলতে শুরু করেছে। বর্তমানে এই নৌপথে দুটি মধ্যম ও তিনটি ছোট ফেরি চলছে।

শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) মো. হিলাল উদ্দিন বলেন, শুক্রবার রাতে শিমুলিয়ার তিন নম্বর ঘাটের ২০০ ফুট দূরে আবারও নদী ভাঙন শুরু হয়। এতে বিআইডব্লিউটিএ ও তিন নম্বর ঘাট ভাঙনের হুমকি পড়েছে। ফলে তিন নম্বর ঘাটটি সাময়িকভাবে বন্ধ আছে।

মন্তব্য পড়ুন 0