বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘাট ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত বুধবার ভোর থেকে পদ্মা নদীতে ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছিল। প্রবল বাতাসের কারণে বড় বড় ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়, সেই সঙ্গে তীব্র স্রোতও বয়ে যায়। বাতাসের কারণে বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ে শিমুলিয়া ঘাটের পন্টুনগুলোতে। ঢেউয়ের তোড়ে বুধবার সকাল ৮টার দিকে ২ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনটি বিচ্ছিন্ন হয়ে দুই ভাগ হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাত ১০টা পর্যন্ত সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে এলে রাত ১০টার পর থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।

আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) মো. জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, প্রায় দুই দিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাটে এসে অসংখ্য ছোট-বড় যানবাহন জড়ো হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৫৪০টি যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় আছে। এসব যানবাহনের মধ্যে মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের সংখ্যা বেশি। এ ছাড়া ছোট গাড়ি ও বাস রয়েছে। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (​বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা ঠিক হওয়ায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ছোট-বড় ১৪টি ফেরি চলছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) শিমুলিয়া ঘাটের নৌ নিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, পদ্মা নদীতে আজও ২ নম্বর বিপৎসংকেত চলছে। দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও ভালো হলে এসব নৌযান চলাচল শুরু করবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন