বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টিকা নেওয়ার পর মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র মোবাশশির রহমান (১৬) বলে, ‘দীর্ঘ দেড় বছর পর আমরা স্কুলে যাচ্ছি। অভিভাবকেরা দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকেন। প্রত্যাশায় ছিলাম কবে টিকা দেওয়া হবে। আজ টিকা নেওয়ার পর কিছুটা হলেও মানসিকভাবে প্রশান্তিতে থাকব।’

টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধনের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, এখন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলো। এরপর সারা দেশে ২১টি স্থানে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। রাজধানীতে বিশাল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হবে। দেশে এক কোটির বেশি শিশু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। সরকারের হাতে ৬০ লাখ টিকা আছে, যা ৩০ লাখ শিশুকে দেওয়া যাবে। শিশুরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। তাদের নিয়ে অভিভাবকেরা চিন্তিত থাকেন। এই টিকাদানের মাধ্যমে শিশুরা করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা পাবে। তবে টিকা নেওয়ার পরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে সারা দেশের মানুষকে টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে প্রায় পাঁচ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের মধ্যে দেশের ৫০ ভাগ মানুষকে টিকা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সময়মতো টিকা পেলে আগামী এপ্রিলের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ মানুষকে টিকা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন সংক্রমণের হার ২ দশমিক ৪ ভাগ, মৃত্যুহারও কম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় করোনা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম এবং সারা পৃথিবীতে ২৬তম।

উদ্বোধনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) মীরজাদী সেব্রিনা, ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) মো. বেলাল হোসেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন