বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিশুটির পরিবারের সদস্যদের ধারণা, শিশুটিকে নির্যাতনের পর সে অচেতন হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে ময়মনসিংহ থেকে ফুলবাড়িয়ায় বাড়ির পাশে ফেলে রাখেন আসমা। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে পুলিশের সহায়তায় ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত এক চিকিৎসক বলেন, শিশুটির শরীরের ক্ষতগুলো শুকিয়ে গেলেও সে পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। তার শারীরিক অবস্থা বেশি দুর্বল।

ফুলবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক জ্যোতিষ চন্দ্র বলেন, শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নির্যাতনের ঘটনাটি যেহেতু ময়মনসিংহ সদর এলাকার, তাই কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ফুলবাড়িয়া থানা থেকে বিষয়টি জানানোর পর বৃহস্পতিবার রাতেই অভিযুক্ত নারীকে আটকের জন্য অভিযান চালানো হয়েছে। তবে তাঁকে আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আসমা, তাঁর স্বামী লিটু ও মেয়েটিকে ওই বাড়িতে কাজে পাঠানো সোহাগকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন