বিজ্ঞাপন

সরকারি শিশু পরিবারের উপতত্ত্বাবধায়ক মো. মোশররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি জোহরের নামাজ পড়ে এসে জানতে পারি, আমাদের এখানে একটি ছেলের কোনো একটা সমস্যা হয়েছে। আমরা তখন গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। আমি জানি না এটা কীভাবে ঘটল। তদন্ত করলে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে।’

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি শিশু পরিবারের বাসিন্দা জোবায়েরের লাশ আজ বেলা সোয়া তিনটার দিকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে, আসলে এখানে কী ঘটেছে।

জোবায়েরের খালা নাসরিন আক্তার বলেন, জোবায়ের যখন ছোট, তখন ওর বাবা তার মাকে ছেড়ে চলে যান। ওর মা ছেলে-মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টে দিন যাপন করছেন। সংসার চালাতে না পেরে ছেলেকে সরকারি শিশু পরিবারে দিয়ে আসেন। আজ তাঁর বোনের কোল খালি হয়ে গেল। তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমার ভাগনেকে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন