বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিকেল সোয়া চারটায় সেতু বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক সেতু এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, ১৬৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১০ দশমিক ৩ মিটার প্রস্থের এই সেতু নির্মাণে প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪২ কোটি টাকা।  সেতুটি নির্মাণের জন্য পরামর্শক সংস্থা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান। ১২ আগস্ট দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এখন দরপত্র মূল্যায়ন হয়ে গেলে ঠিকাদার নিয়োগ হবে।

এ সময় সেতু বিভাগের সচিবের সঙ্গে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জি এম সরফরাজ, সেতু বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শীর্ষেন্দু বিশ্বাস পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। মা–বাবার চাকরির সুবাদে সে পটুয়াখালী শহরে বাস করে। তবে তাদের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ছয়আনি গ্রামে। গ্রামের বাড়ি থেকে পটুয়াখালী জেলা শহরে আসতে জেলার মির্জাগঞ্জের পায়রা নদী পার হয়ে যেতে হয়। এ নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ। মানুষ ভয় পায়। তাই ওই নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য ২০১৬ সালের ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি লিখে শীর্ষেন্দু।

ওই চিঠির উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া চিঠিটি শীর্ষেন্দুর বিদ্যালয়ে পৌঁছায় ২০১৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। ২৬ সেপ্টেম্বর সেই চিঠি স্কুল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে শীর্ষেন্দুর হাতে তুলে দেয়। চিঠিতে মির্জাগঞ্জের পায়রা নদীতে একটি সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে শীর্ষেন্দুকে আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। এর পরই শুরু হয় শীর্ষেন্দুর স্বপ্নের সেতু বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন