বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই দেশের মানুষের মধ্যে সাক্ষাতের সুযোগ মেলে। বাংলাদেশের অনেকের স্বজন যেমন রয়েছে, ভারতে তেমনি ভারতীয় অনেকের স্বজনও রয়েছে এ দেশে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শূন্যরেখায় অপেক্ষমাণ উভয় দেশে বসবাসরাত স্বজনেরা। বিকেলের সূর্য হেলে পশ্চিমে গেছে। তখনো দাঁড়িয়ে কেউ কেউ। কেউ স্বজনের দেখা পেয়েছেন, আবার স্বজনের দেখা না পেয়েই ফিরতে হয়েছে অনেককে। আবার স্বজনদের দেখা পেলেও কথা বলার সুযোগ হয়নি, শুধু হাত নেড়ে সান্ত্বনা নিয়ে ফিরেছেন।

প্রতিবছর ঈদ-পূজা কিংবা পয়লা বৈশাখের মতো উৎসবের দিনগুলোতে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য শূন্যরেখায় ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। বিজিবি-বিএসএফের অনুমতি না পেয়ে সীমান্তে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে কিংবা দূর থেকে প্রিয় মানুষটিকে একনজর দেখেই ফিরতে হয় বাড়িতে। সীমান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে স্বজনদের দাবি, বছরের অন্তত একটা দিন অথবা কিছুটা সময়ের জন্য হলেও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার কথা বলার ব্যবস্থা করা।

হিলি সীমান্তে আসা দর্শনার্থী অনুপ কুমার বসাক বলেন, ‘আগের দিনে এ রকম দিনগুলোতে সীমান্তে দাঁড়িয়ে দুই দেশের মানুষের কথা বলার সুযোগ ছিল। কিন্তু এখন খুব কড়াকড়ি। শূন্যরেখার কাছেই যাওয়া যায় না। ওপারে ভাই থাকে। চার ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করেছি, ভাই আসেনি। আসছে হয়তোবা আমি দেখতে পাইনি। সে–ও হয়তো আমাকে খুঁজেছে। সীমান্তে ছবি তুলে বাড়ি ফিরতেছি।’

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের হিলি আইসিপি চেকপোস্ট ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার ইয়াসিন আলী জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শূন্যরেখায় ঘুরতে আসেন। দুই দেশে বসবাসকারী স্বজনদের সঙ্গে অনেকের দূর থেকে দেখা হওয়ার সুযোগ মেলে। তবে অনুমতি না থাকায় কাউকে শূন্যরেখায় যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তারপরও মানবিক দিক বিবেচনা করে দু-একজনকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অনেকে সীমান্তের শূন্যরেখার পাশে রেললাইনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে স্বজনদের দেখা করতে পেরেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন