বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কলারোয়া ইউনিট কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন থানায় মামলার জন্য এজাহার দেন। থানায় মামলা রেকর্ড না হওয়ায় তিনি আদালতে মামলা করেন। পরে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। তবে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ওই মামলা পুনরুজ্জীবিত হয়। বিএনপির সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলামসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। যুক্তিতর্ক ও শুনানি শেষে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি মামলার রায় হয় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। ওই রায়ে সাবেক সাংসদ হাবিবুলসহ ৫০ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। এর মধ্যে বর্তমানে ৩৬ জন কারাগারে রয়েছেন ও ১৩ জন পলাতক।

কারাগারে থাকা আসামিরা নিম্ন আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মোট ১৬টি আপিল মামলা করেন। এর মধ্যে আসামি আইনজীবী আবদুস সামাদ, গোলাম রসুল, জহুরুল ইসলাম, সাহাবুদ্দিন, আবদুর রকিব ও মনিরুল ইসলাম নিম্ন আদালতে চারটি আপিল করেন। সেখানে জামিন না পাওয়ায় তাঁরা হাইকোর্ট থেকে জামিনের আদেশ নেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল করে। পরে হাইকোর্ট জামিনের আদেশ বাতিল করেন। ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওই ছয় আসামির চারটি মামলা নিষ্পত্তির জন্য জেলা ও দায়রা জজকে আদেশ দেওয়া হয়। গত ২৬ আগস্ট যুক্তিতর্ক ও শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য ৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলার শুনানি করেন সাতক্ষীরা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবদুল লতিফ। তিনি বলেন, আজ দুপুর ১২টার দিকে মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচার। রায়ে ওই ছয় আসামির তিনটি আপিলই নামঞ্জুর হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখেছেন বিচারক।

মামলায় আপিলকারী ছয় আসামির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী আবদুল মজিদ (২), মিজানুর রহমান, সেলিনা আক্তার প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন