আওয়ামী লীগের তৃণমূলে ভোট বেড়েছে উল্লেখ করে আবু সাঈদ আল মাহমুদ আরও বলেন, আওযামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনেকের আছে। আকাঙ্ক্ষা থাকলেও সেটি অনিয়ন্ত্রিন পর্যায়ে কখনো যায়নি।

আবু সাঈদ আল মাহমুদ বলেন, যাঁরা দলের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করেছেন, তাঁরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারবেন না। সেটি গত সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাজনৈতিক কাজ সবার মতামতের ভিত্তিতে করতে হয়। রাজনীতিতে ধামাচাপা দিয়ে কিছু করতে গেলে পরে তা ক্ষতির কারণ হয়। তাই যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো সমাধান করে সর্বসম্মতভাবে কাজ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘নেত্রীর নির্দেশ, আমরা তৃণমূলে পর্যন্ত সম্মেলন করতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনা আছেন বলেই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। দেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে। আপনার সন্তানেরা সুন্দর দেশ উপহার পাচ্ছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। চলুন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।’

আবু সাঈদ বলেন, তাঁরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন করতে চান। বিভিন্ন ওর্য়াড, ইউনিয়ন, উপজেলাগুলোর সম্মেলন করতে চান। এ নিয়ে সভা হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত কিছু কিছু বাস্তবায়ন হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। আজকে সভা করে জটিলতা নিরসন করে সমাধান বের করা হবে। জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আবু সাঈদ আল মাহমুদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়-১ (নাসিরনগর) আসনের সাংসদ বি এম ফরহাদ হোসেন, সংরক্ষিত আসনের সাংসদ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, তাজ মুহাম্মদ ইয়াছিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী ও মঈনউদ্দিন মঈন প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন