বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামারেরচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে ভোটের আগেই চেয়ারম্যান পদে জেলা যুবলীগের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যপদে ভোট গ্রহণের সময় সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (ফুটবল প্রতীক) ও আহসান হাবিবের (মোরগ প্রতীক) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ৬ নম্বর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।

সদস্য পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ৬ নম্বর চর গ্রামে সদস্য পদপ্রার্থী আহসান হাবিবের সমর্থক সুজন মিয়াসহ কয়েকজনের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন।

নির্বাচনের দিন সংঘটিত এ সংঘর্ষের জের ধরে আজ বেলা ১১টার দিকে সদস্য পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ৬ নম্বর চর গ্রামে সদস্য পদপ্রার্থী আহসান হাবিবের সমর্থক সুজন মিয়াসহ কয়েকজনের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। হামলায় ১০ জন আহত হন। এর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সুজন, নয়ন ও অবেল নামের তিনজনকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং অন্যদের শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংবাদ পেয়ে সদর থানার পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কামারেরচর ইউপির চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, সদস্য প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থকদের হামলায় আহসান হাবিবের ১০ সমর্থক আহত হয়েছেন।

মোস্তাফিজুর রহমান পলাতক থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন