বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাসুদ রানার বড় ভাই আসাদুল ইসলাম কুসুম্বি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার ইউপি নির্বাচনে তাঁর দলীয় প্রার্থী জুলফিকার আলী চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে পরাজিত হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম। তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

আসাদুল ইসলাম আরও বলেন, রোববার রাত নয়টায় গোসাইবাড়ি কলোনি বাজারে তাঁর রড–সিমেন্টের দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী হিসেবে পরিচিত ওই এলাকার একজনের নেতৃত্বে অন্তত ১২ জনের একটি দল সড়কে প্রতিরোধ করে তাঁর ওপরে চড়াও হয়। তাঁর চিৎকার শুনে ছোট ভাই মাসুদ রানা এগিয়ে আসে। হামলাকারীরা মারধর করে তাঁকে সড়কের ওপরে ফেলে দেয়। তাঁর দোকান থেকে প্রায় দুই লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। স্থানীয় লোকজন মাসুদকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে তাঁর ভাইকে নেওয়া হয় বগুড়ার একটি ক্লিনিকে। সেখানেই তাঁর ডান হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়।

এ বিষয়ে নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, মাসুদ রানাকে হামলার ঘটনার সঙ্গে তাঁর পক্ষের আবদুল কাদেরসহ কোনো কর্মী–সমর্থকেরা জড়িত নন। তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট গোসাইবাড়ি কলোনি এলাকার সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচনের জয়-পরাজয়ের ঘটনা নিয়েই এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

শেরপুর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনার সংবাদ জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ওই সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কাউকে পাওয়া যায়নি। হামলার ঘটনা নিয়ে রোববার রাতে আহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, পুলিশের তদন্ত চলছে। হামলার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন