বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরটি–পিসিআর ও র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট মিলিয়ে মোট ৭৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৬ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৮ দশমিক ১০ শতাংশ।

গত বছরের ৫ এপ্রিল জেলায় প্রথম দুই নারীর করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর আজ ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেড় বছরে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭১৫। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৫৬৮ জন। শনাক্ত হিসেবে সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৯০ জন। তবে গত দুই সপ্তাহে কেউ মারা যাননি। আজ সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত জেলা সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কোভিডে আক্রান্ত ৫ জন ও উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৯ জন ভর্তি আছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সবশেষ ৯ সেপ্টেম্বর করোনায় একজন মারা যান। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শেরপুর জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৭ জন ও মারা গেছেন ২ জন। অন্যদিকে আগস্ট মাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৭০ জন, আর মারা গেছেন ১৭ জন। অর্থাৎ আগস্ট মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে জেলায় করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা—দুটোই অনেক কমেছে।

জেলা সিভিল সার্জন এ কে এম আনওয়ারুর রউফ প্রথম আলোকে বলেন, চলতি মাসে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। বিপরীতে সুস্থ হওয়ার হার বেড়েছে। এটি ইতিবাচক। তবে করোনার সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে শিক্ষক ও অভিভাবক সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন