জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরটিপিসিআর ল্যাব ও  র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে মোট ২৭১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩৬ দশমিক ৯০ ভাগ।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত ৫০ জন ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে ২৯ জন ভর্তি ছিলেন। করোনা শনাক্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনই ভর্তি রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

জেলা সিভিল সার্জন এ কে এম আনওয়ারুর রউফ আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, শেরপুরে করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বর্তমানে সামাজিক সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। একই পরিবারে ২ থেকে ৩ জন করে আক্রান্ত হচ্ছেন।করোনার ভয়াবহতা নিয়ে সাধারণ মানুষের উদাসীনতার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাই করোনার নিয়ন্ত্রণ ও বিস্তার রোধে মাস্ক ব্যবহারসহ যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা পালন করতে হবে। তা না হলে সামনের দিনগুলোয় ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।  

আজ ৯ জুলাই পর্যন্ত জেলায় মোট শনাক্ত হওয়া ২ হাজার ৭৫ জনের মধ্যে শেরপুর সদরে ১ হাজার ৩৯৫, নকলায় ২১৫, নালিতাবাড়ীতে ২০৪, ঝিনাইগাতীতে ১০১ ও শ্রীবরদী উপজেলায় ১৬০ জন রয়েছেন। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১১৩ জন। আর এ পর্যন্ত জেলায় ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।