default-image

শেরপুর সদরে শাহানা বেগম (৩৮) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুন্সিরচর টানকাছার গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে সদর থানার পুলিশ। ওই নারী সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের মুন্সিরচর টানকাছার গ্রামের আয়নাল হকের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহানা বেগমের স্বামী আয়নাল হক সৌদি আরবে থাকেন। শাহানা তিন ছেলেকে নিয়ে সদর উপজেলার মুন্সিরচর টানকাছার গ্রামের বাড়িতে থাকতেন। গত বুধবার সকালে বোরো ধান সেদ্ধ করা কেন্দ্র করে শাহানার সঙ্গে তাঁর এক জায়ের (স্বামীর বড় ভাইয়ের স্ত্রী) বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ ছাড়া টাকা-পয়সা নিয়েও তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ছিল। এসব বিষয় নিয়ে শাহানার মনে ক্ষোভ-অভিমান ছিল। আজ ভোর রাতে শাহানার বড় ছেলে সাঈদ ঘুম থেকে জেগে দেখেন, তাঁর মা ঘরে নেই। এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্বজনেরা বাড়ির পাশের একটি কাঁঠাল গাছের ডালের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে শাহানাকে ঝুলতে দেখেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন শাহানাকে গাছ থেকে মাটিতে নামানোর পরপরই মারা যান তিনি।

গত বুধবার সকালে বোরো ধান সেদ্ধ করা কেন্দ্র করে শাহানার সঙ্গে তাঁর এক জায়ের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ ছাড়া টাকা-পয়সা নিয়েও তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ছিল। এসব বিষয় নিয়ে শাহানার মনে ক্ষোভ-অভিমান ছিল।
বিজ্ঞাপন

গৃহবধূ শাহানা বেগমের ছেলে সাঈদ দুপুরে প্রথম আলোকে বলে, তাঁর মা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ব্যাপারে কাউকে অভিযুক্ত করে মামলা করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি পরে জানাবেন।

সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদনে মৃত শাহানার গলায় কালো দাগ দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে শাহানা বেগম আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন