default-image

শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা মির্জাপুর এলাকার শেরপুর-ঝিনাইগাতি সড়কে ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও একজন নিহত হয়েছেন। এতে মোট নিহত হলেন পাঁচজন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অপর দুজন। আজ রোববার সকাল নয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বন্ধধারা গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে অটোরিকশাচালক জবেদ আলী (৩৫), নলজোড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রোকসানা বেগম (৩০), চাঁদগাঁও গ্রামের তায়েব আলীর ছেলে মো. সেলিম (২৫), কেতু মিয়ার ছেলে লাল মিয়া (৩৫) ও তিনআনী ঘুটুরাপাড়া গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে আবদুল মান্নান (৫৮)। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন ঘটনাস্থলে মারা যান। আর দুজন জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

দুর্ঘটনায় আহত দুজন হলেন নিহত রোকসানা বেগমের মেয়ে রুমি (৭) ও নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাইগড়পাড়া গ্রামের মিস্টার আলীর ছেলে মামুন (২৫)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মামুনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর শিশু রুমি জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহত ও আহত ব্যক্তিরা অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল নয়টার দিকে নালিতাবাড়ীর নন্নী বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কয়েকজন যাত্রী শেরপুর জেলা শহরে আসছিলেন। শেরপুর-ঝিনাইগাতি সড়কের শেরপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার তিন যাত্রী মারা যান। পরে এলাকাবাসী আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

রোববার বিকেলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় সদর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ ট্রাকটিকে জব্দ করেছে। তবে ট্রাকচালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিহত ব্যক্তিদের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন