বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী ও দুর্ঘটনা আহত ব্যক্তিদের সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার শেরুয়া বটতলা এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পাশে পানি জমে ছিল। গতকাল রাতে ঢাকাগামী সূর্য পরিবহনের একটি বাস ওই অংশ দিয়ে পাশ কাটিয়ে যাওয়া চেষ্টা করছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বগুড়াগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সূর্য পরিবহনের ওই বাসের সংঘর্ষ হয়। এ দুর্ঘটনায় দুই বাসের ৪১ জন আহত হন। খবর পেয়ে রাতেই শেরপুরের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।

শেরপুরের ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা নাদির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনা পর বাস দুটি মহাসড়কের ওপর আড়াআড়িভাবে দাঁড়িয়ে ছিল। তাঁরা দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ৩০ জনকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। গুরুতর আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ওই দুটি বাসের চারজন স্টাফ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন আজ শনিবার বেলা সাড়ে নয়টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এখনো তাঁর নাম–পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আহত যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, বাস দুটি দ্রুতগতিতে চলছিল। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যাওয়ার আগেই দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ১০ জন চলে গেছেন।
এ বিষয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এ কে এম বানিউল আনাম বলেন, নিহত ব্যক্তি শ্যামলী পরিবহনের বাসের স্টাফ। আজ বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তাঁর নাম–ঠিকানা জানা যায়নি। স্থানীয় শ্যামলী পরিবহনের অফিসে যোগাযোগ করে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহাসড়ক থেকে বাস দুটি সরিয়ে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন