default-image

শেরপুরে পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মীসহ আরও চারজনের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে শেরপুর সদরে দুজন ও নকলা উপজেলায় দুজন। সব মিলিয়ে জেলায় কোভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২৫৪। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ২১৫ জন। মারা গেছেন চারজন। শনাক্ত হিসেবে সুস্থতার হার শতকরা ৮৬ ভাগ।

গতকাল সোমবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জেলার সিভিল সার্জন এ কে এম আনওয়ারুর রউফ এসব তথ্য জানান।

জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম ও কনস্টেবল মোয়াজ্জেম হোসেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনের করোনা শনাক্ত হওয়ার পর তাঁর সংস্পর্শে আসা পরিবারের সদস্য ও থানায় কর্মরত অন্য পুলিশ সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় এসআই রবিউল ও কনস্টেবল মোয়াজ্জেমের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এ ছাড়া নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইসরাত জাহান ও উপজেলার ফেরুষা এলাকার ফজলুর রহমানের কোভিড শনাক্ত হয়েছে। এর আগে ফজলুরের জামাতা হারুন অর রশীদ কোভিডে আক্রান্ত হন। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কনস্টেবল মোয়াজ্জেম হোসেন জেলা সদর হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন। অন্যরা বাসায় আইসোলেশনে (বিচ্ছিন্ন) আছেন।

সিভিল সার্জন আনওয়ারুর রউফ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) মোবারক হোসেন এবং নকলার ইউএইচএফপিও মুজিবর রহমান গতকাল রাতে প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

সিভিল সার্জন আনওয়ারুর রউফ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সামাজিক সংস্পর্শের কারণে ওই চারজন কোভিডে সংক্রমিত হয়েছেন। তাই করোনার বিস্তার রোধে মাস্ক ব্যবহারসহ কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জেলাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

গতকাল পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শেরপুর সদরে ১০৫, নকলায় ৪৯, নালিতাবাড়ীতে ৫৩, ঝিনাইগাতীতে ২৫ ও শ্রীবরদী উপজেলায় ২২ জন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে নয়জন চিকিৎসকসহ ৪৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী আর ২৮ জন পুলিশ সদস্য।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন