default-image

শেরপুরে পুলিশ সুপার (ইন সার্ভিস ট্রেনিং) আবদুল্লাহ আল মাহমুদসহ চারজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাঁকে নিয়ে জেলায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫০৮। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৪৭৯ জন। মারা গেছেন নয়জন। শনাক্ত হিসেবে সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। জেলার সিভিল সার্জন এ কে এম আনওয়ারুর রউফ প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান।

গতকাল শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সিভিল সার্জন এ কে এম আনওয়ারুর রউফ বলেন, নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন শেরপুর সদরের। আর শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় একজন করে রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত এসপি আবদুল্লাহ আল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। তিনি বাসায় আইসোলেশনে থাকবেন।
সিভিল সার্জন আনওয়ারুর রউফ প্রথম আলোকে বলেন, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অথচ অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে এই সংখ্যা ছিল ৫। শীত মৌসুমের শুরুতেই জেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এটি উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেন, গত ৫ এপ্রিল জেলায় প্রথম দুই নারীর করোনা শনাক্তের পর সাত মাসে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০৮। তাই এ ভাইরাসের বিস্তার রোধে সচেতন হওয়া, মাস্ক ব্যবহারসহ কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গতকাল পর্যন্ত জেলার শেরপুর সদরে ২৪৯, নকলায় ৮৪, নালিতাবাড়ীতে ৮৬, ঝিনাইগাতীতে ৪১ ও শ্রীবরদী উপজেলায় ৪৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৪ জন চিকিৎসকসহ ৬৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪১ জন পুলিশ সদস্য আছেন।

মন্তব্য পড়ুন 0