বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাদিয়া কসমেটিকস অ্যান্ড প্লাস্টিক গ্যালারির মালিক মো. সুজন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, শনিবার দিবাগত রাত তিনটা পর্যন্ত তিনি দোকানে ছিলেন। রাতে ঢাকা থেকে আসা ২০ লাখ টাকার আরএফএলের পণ্যসামগ্রী গুদামে তুলে রাখেন। সকালে তাঁর দোকানে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে দৌড়ে আসেন। কিন্তু ততক্ষণে পুরো দোকান পুড়ে গেছে। আগুনে তাঁর ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মনিহারি ব্যবসায়ী আখেল মিয়া বলেন, তাঁর দোকানে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকার চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী ছিল। আগুনে সব পুড়ে গেছে।

লছমনপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. আবদুল হাই বলেন, বাজারের দোকানগুলো টিনশেডের ও পাশাপাশি অবস্থিত হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিস শেরপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক জাবেদ হোসেন মো. তারেক বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন