বিজ্ঞাপন

‘স্কুলমাঠ মুক্তি পাক, দখলদার নিপাত যাক’ স্লোগানে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় হোসাইন মারুফ ক্রীড়াচক্রের সভাপতি মো. হোসাইন মারুফ এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী আবু সাইম মো. সাঈদ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৫২ সনে প্রতিষ্ঠিত মুন্সিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত জমির পরিমাণ ৫০ শতাংশ। কিন্তু বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও চরমোচারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খোরশেদুজ্জামান সুকৌশলে বিদ্যালয়ের ১৫ শতাংশ জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণ করেছেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ও সরকারি সম্পদ বেহাত হয়ে গেছে। এমন অবস্থার প্রেক্ষাপটে বিদ্যালয়ের জমি দখলমুক্ত করে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুন্সিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. খোরশেদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, মুন্সিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মুন্সিরচর মতিজান উচ্চবিদ্যালয় দুটি পাশাপাশি অবস্থিত। তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরাই ওই প্রতিষ্ঠান দুটির জমিদাতা। প্রায় ৮ মাস আগে এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করা হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরেজমিন বিষয়টি তদন্ত করেন এবং স্কুলের জমি দখলের কোনো সত্যতা পাননি। অর্থাৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমিতে তিনি (খোরশেদুজ্জামান) ও তাঁর ভাইদের মার্কেটের অবস্থান রয়েছে। অভিযোগটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন