default-image

শেরপুরের নকলায় এক তরুণের বিরুদ্ধে বিয়ের কথা বলে কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ধর্ষণের কারণে কিশোরীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। কিশোরী একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দিলেও সে মারা যায়। অসুস্থ কিশোরীকে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার রাতে আবদুর রহিম (১৮) নামের এক তরুণ ও তাঁর মা সাজেদা বেগমকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে কিশোরী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রহিম ও তাঁর মা সাজেদার বিরুদ্ধে নকলা থানায় মামলা করে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও গ্রেপ্তার রহিম পরস্পরের পরিচিত। বিয়ের কথা বলে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান রহিম। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে কিশোরীকে বিয়ের জন্য রহিমের পরিবারের কাছে একাধিকবার অনুরোধ করলেও তাঁর পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে। এমন অবস্থায় গত সোমবার রাত দেড়টার দিকে কিশোরী একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেয়। কিন্তু সন্তানটি মারা যায়।

পরে এলাকাবাসীর কাছে খবর পেয়ে নকলা থানার পুলিশ মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে কবর থেকে মৃত নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে। গতকালই জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে লাশটির ময়নাতদন্ত হয়।

নকলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাসানুজ্জামান আজ বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় কিশোরী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রহিম ও তাঁর মা সাজেদাকে আসামি করে মামলা করেছে। পুলিশ মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কিশোরীকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন