বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০০৫ সালে শ্রীবরদী উপজেলার বড় গেড়ামারা গ্রামের আবদুল জব্বারের মেয়ে জহুরা বেগমের (২৩) সঙ্গে একই উপজেলার কেল্লাকান্দি গ্রামের ফুরকান আলীর বিয়ে হয়। ওই দম্পতির ঘরে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী ফুরকান আলী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের টাকার জন্য বিভিন্ন সময়ে জহুরা বেগমকে চাপ দিতেন ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। তবে জহুরার গরিব বাবার পক্ষে যৌতুকের টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০১১ সালের ১ জুলাই দিবাগত রাতে কেল্লাকান্দি গ্রামের বাড়িতে স্বামী ফুরকান আলী শ্বাস রোধ করে স্ত্রী জহুরা বেগমকে হত্যা করেন এবং লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন। ঘটনার পরপরই স্বামী ফুরকান ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় ২০১১ সালের ৩ জুলাই জহুরা বেগমের ভাই ফজলুল হক বাদী হয়ে ফুরকান আলীকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শ্রীবরদী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক জাকির হোসেন একই বছরের ২০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন