বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে আসামি পলাতক থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতেই আদালত রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. গোলাম কিবরিয়া বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০০১ সালে ওই নারীর সঙ্গে শাহা আলীর বিয়ে হয়। ওই নারী স্বামী শাহা আলীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করলে ২০১২ সালে শাহা আলী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেন। এরপর তালাকের বিষয়টি গোপন রেখে তিনি ওই নারীর সঙ্গে ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত সংসার করেন ও দাম্পত্যজীবন কাটান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি ওই নারী বাদী হয়ে শাহা আলীর বিরুদ্ধে শ্রীবরদী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে শ্রীবরদী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ওই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর শাহা আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আদালত আজ দুপুরে রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ধর্ষণ মামলার পর থেকেই শাহা আলী পলাতক। আসামি পলাতক থাকায় তাঁর পক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। আসামি গ্রেপ্তারের দিন থেকেই রায় কার্যকর হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন