বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মিছিল থেকে নৌকার কর্মী ও সমর্থকেরা হামলা চালিয়ে আমার নির্বাচনী কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেছে। কয়েকটি দোকানে হামলা করেছে। হামলায় আমার দুই কর্মী মারপিটের শিকার হয়েছে। মূলত, আমার নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাতে শফিকের লোকজন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’

অভিযোগের বিষয়ে খন্দকার শফিক আহমেদ বলেন, ‘বাঁশকান্দা বাজারে নির্বাচনী সভায় যাওয়ার পথে নজরুলের কর্মীরা নৌকার কয়েক কর্মীকে আটক করে। এ সময় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। আমার কর্মীরা কোনো নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করেনি। বরং আমার ছোট ভাইসহ এক কর্মীকে আটক করেছিল। নজরুলের কর্মীদের হামলায় অটোচালক ফরহাদসহ চারজন আহত হয়েছেন।’

নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নালিতাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, শফিকের দুই কর্মীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখন পরিবেশ স্বাভাবিক।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বলেন, দুই পক্ষের দুটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। সরেজমিন তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন