বিজ্ঞাপন

পরে ইটনা থানা–পুলিশের সহযোগিতায় সুফিয়া ছেলে দুলাল মিয়া তাঁর সন্ধান পান। এরপর রোববার বিকেলে মাকে নেওয়ার জন্য তিনি শেরপুর সদর থানায় আসেন। বিকেল পাঁচটার দিকে সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন তাঁর কার্যালয়ে দুলাল মিয়ার কাছে তাঁর মা সুফিয়াকে তুলে দেন। এ সময় দুলাল তাঁর মাকে জড়িয়ে ধরেন ও আনন্দে তাঁর চোখ পানিতে ছলছল করতে থাকে।

সুফিয়া বেগমের ছেলে দুলাল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা খুব চিন্তায় ছিলাম যে মাকে খুঁজে পাব কি না। এখন মা আমার কাছে আছে। এ জন্য শেরপুর সদর ও ইটনা থানার ওসি সাহেবের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’

ছেলেকে দেখে আবেগাপ্লুত মা সুফিয়া বেগম বলেন, ‘আমার বয়স অনেক হইছে। কানে কম শুনি, চোখেও কম দেখি। পথ হারাইয়া শেরপুরে আইসা পড়লেও থানার ওসি সাহেব আমার অনেক যত্ন নিছেন। এ জন্য তারে ধন্যবাদ জানাই।’

শেরপুর সদর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন রোববার সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, সুফিয়া বেগমকে পাওয়ার পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান নাহিদ চৌধুরীর নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে ইটনা থানায় তাঁর ছবিসহ তথ্য চেয়ে বার্তা পাঠান। এরপর ইটনা থানা থেকে সুফিয়া বেগমের পরিবারের খোঁজ দেওয়া হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন