বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংঘর্ষের সময় নৌকার সমর্থকদের ২৫টি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেছেন। এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরা অভিযোগ করে বলেন, তাঁদের সাতটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার কায়সার ও তাঁর সমর্থকেরা বলেন, গতকাল রাতে ইউনিয়নের শাহবাড়িয়া গ্রামের গফুর মণ্ডলের জানাজা শেষে জুলফিকার কায়সার তাঁর সমর্থকদের নিয়ে ফিরছিলেন। পথে কিত্তিনগর এলাকায় পৌঁছালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহমুদুল হাসানের সমর্থকেরা হঠাৎ হামলা চালান। এ সময় জুলফিকার কায়সারের সমর্থকদের মধ্যে কয়েকজন মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান। এরপর নৌকার সমর্থকেরা ওই মোটরসাইকেলগুলোতে আগুন লাগিয়ে দেন।

এদিকে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে জুলফিকার কায়সারের সমর্থকেরা রাত নয়টার দিকে ইউনিয়নের কেশনগর গ্রামের মাহমুদুল হাসানের সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালান। এ সময় তাঁরা প্রায় ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জুলফিকার কায়সার বলেন, এক ব্যক্তির জানাজা শেষে কিত্তিনগর এলাকায় পৌঁছালে নৌকার সমর্থকেরা বিনা উসকানিতে তাঁর ওপর হামলা করে ১৫ জনকে আহত করেন। তাঁকে হত্যার জন্য এই হামলা চালানো হয়েছে।

default-image

তবে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাঁর কর্মী–সমর্থকদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, তাঁর কোনো সমর্থক এ ঘটনায় জড়িত নন। বিষয়টি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরা হঠাৎ হামলা চালিয়ে তাঁর সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করেছেন। তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। ঘটনার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ জনকে আটক করা হয়েছে। অপরাধী যে–ই হোক, কেউ ছাড় পাবে না। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন