বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে সরাসরি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার বউবাজারে আসেন সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর। সেখানে প্রথমে তিনি নিহত সালমান ফারসির কবরে এবং পরে তিন শিশুর কবরে মাটি দেন। এরপর স্থানীয় ব্যক্তিদের উদ্যোগে বউবাজারে একত্র করা নিহত ব্যক্তিদের দুই পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। এ সময় সেখানে এলাকার অসংখ্য মানুষ সমবেত হন।

বুধবার সকাল আটটার দিকে নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের বউবাজার গ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে একই পরিবারের তিন শিশুসহ নিহত হয় ৪ জন। তারা হলো রিকশাচালক রেজওয়ান আলীর মেয়ে লিমা আক্তার (৭), শিমু আক্তার (৪), ছেলে মো. মোমিনুর রহমান (২)। তাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রতিবেশী মনষাপাড়া গ্রামের সালমান ফারসি ওরফে শামীম (৩০) নিহত হন।

শামীমের এই সাহসিকতার নিদর্শন স্থায়ীভাবে ভবিষ্যতে কীভাবে ধরে রাখা যায়, তা নিয়ে চিন্তা করছেন উল্লেখ করে আসাদুজ্জামন নূর বলেন, ‘সালমান ফারসি যে সাহসিকতার পরিচয় দেখাল, এটা আমাদের অনুসরণ করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা যেন মানুষের বিপদে এগিয়ে যাই।’ পরিবার দুটিকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, সালমান ফারসির স্ত্রী সম্মত হলে তাঁর কাজের একটা ব্যবস্থা করা হবে। আর বাচ্চাদের বাবার ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা করা হবে।

পরে সাংসদ নূর ব্যক্তিগতভাবে সালমান ফারসি শামীমের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা এবং ৩ শিশুর পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা প্রদান করেন। এ সময় সমপরিমাণ করে টাকা দুই পরিবারের হাতে তুলে দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ। সেখানে রিকশাচালক রেজওয়ানকে ইজিবাইক কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেন আমেরিকাপ্রবাসী ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হোসেন রানা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন