বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দত্তক পাওয়া দম্পতির আইনজীবী আফসার হোসেন বলেন, স্মৃতি বিকাশ চাকমা একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তাঁর স্ত্রীও উচ্চশিক্ষিত। তা ছাড়া পরিবারটি সম্ভ্রান্ত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।

গতকাল সোমবার খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের শৌচাগারে কান্নার শব্দ শুনে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।

শিশুটির দায়িত্ব নেওয়া স্মৃতি বিকাশ চাকমা বলেন, ‘আমার পরিবারে সব আছে। ১৭ বছরের সংসারে এক সন্তানের বাবা হতে পারলেও সেই সন্তান ৩ দিনের মাথায় মারা যায়। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পরও আর বাবা হতে পারিনি। তবে এবার এ সন্তানের বাবা হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সে আমাদেরই সন্তান। এখন প্রতিক্ষায় আছি কখন সন্তানকে পাব।’

খাগড়াছড়ি হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য অনেকেই ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে বিচারক কন্যাশিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা দিক চিন্তাভাবনা করে সরকারি চাকরিজীবী পরিবারের কাছে শিশুটিকে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেন।

খাগড়াছড়ি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রিপল বাপ্পী বলেন, শিশুটি বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ। আদালতের রায় আসার পরপরই শিশুটিকে ওই পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন