বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় বছর আগে সিদ্দিক মিয়ার সঙ্গে আলিমা বেগমের বিয়ে হয়। এই দম্পতির পাঁচ বছরের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। নানা বিষয়ে সম্প্রতি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ দেখা দিয়েছিল। এরই মধ্যে তিন দিন আগে সিদ্দিক স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি গোয়াইনঘাটের বীরকুলি হাওর গ্রামে বেড়াতে যান। বুধবার রাত ১২টার দিকে সেখানে সিদ্দিক মিয়ার সঙ্গে স্ত্রী আলিমা বেগমের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সিদ্দিক মিয়া ধারালো ছুরি দিয়ে আলিমাকে আঘাত করে পালিয়ে যান। পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার একদল পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে যায়। তারা লাশ উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। একই সময়ে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় সিদ্দিক মিয়াকে কোম্পানীগঞ্জের খগাইল এলাকা থেকে আটক করে। পরে নিহত আলিমা বেগমের বাবা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল আহাদ বলেন, সিদ্দিক মিয়াকে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন